সম্পূরক শুল্ক ও সারচার্জ প্রত্যাহার চেয়েছে এমটব

২৪ মার্চ, ২০২১ ২২:৩৯  
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের উপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক ও সারচার্জ প্রত্যাহার করে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হার ১৫% বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশ ( এমটোব)। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর কর কমানোর এই প্রস্তাবটি গত ৮ মার্চ অর্থমন্ত্রী এএইচএম মোস্তফা কামালের কাছে পাঠানো হয়। এমটব মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এসএম ফরহাদ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবটি বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ববোর্ডে প্রাক-বাজেট সভায় উত্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে। প্রস্তাবনায় কর্পোরেট করের হার হ্রাস এবং সেবামূল্যের ওপর আরোপিত ন্যূনতম হার কমানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর ২১.৭৫% কর - ৫% ভ্যাট, ১৫% সম্পূরক শুল্ক এবং ১% সারচার্জ আরোপ করা হয়। প্রসঙ্গত প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেটে ভ্যাট ছিল ১৫ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিজিটাইজেশনের জন্য মূসক হার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। এর উপর সম্পূরক শুল্ক এবং সারচার্জ আরোপ গ্রাহকদের উপর পরিষেবার খরচ আরোপ করেছে বলে মনে করছে এমটব। এই করহার সরকারের ডিজিটালাইজেশন ভিশনকে বাধাগ্রস্ত করছে দাবি করে তালিকাভুক্ত টেলিকম কোম্পানিগুলোর জন্য কর্পোরেট করের হার ২৫% এবং তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানিগুলোর জন্য ৩২.৫% কমানোর প্রস্তাব করেছে এমটব। সংস্থাটির অভিযোগ. "কোভিড-১৯ মহামারীর সময় টেলিকম সেবাকে অন্যান্য মৌলিক চাহিদার মতো অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কর্পোরেট কর আরোপের সময় তাদের বিলাসিতা বা স্বাস্থ্য ঝুঁকি শিল্পের সাথে তুলনা করা হয়েছে- যদিও টেলিকমবাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। অথচ সিগারেট বা তামাকের মতো ক্ষতিকর শিল্পের জন্য ন্যূনতম করের হার ১ শতাংশ হলেও মোবাইল টেলিকমের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ২% কর হার একেবারেই যুক্তিসঙ্গত নয়।